রান্নায় জিরার গুঁড়া শুধু একটি মশলা নয়, এটি খাবারের প্রাণ। কিন্তু বাজারে অধিকাংশ জিরার গুঁড়ায় ধুলোবালি, অতিরিক্ত ডাস্ট কিংবা জিরার ডাল মেশানো থাকে, যা আপনার রান্নার স্বাদ নষ্ট করার পাশাপাশি পেটের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। Foodica আপনাদের দিচ্ছে ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে সংগৃহীত উন্নতমানের বাছাইকৃত জিরা থেকে তৈরি গুঁড়ার নিশ্চয়তা, যা আপনার প্রতিটি রান্নায় আনবে আভিজাত্যের স্বাদ।
কেন Foodica জিরার গুঁড়া আপনার রান্নাঘরের অবিচ্ছেদ্য অংশ হবে?
প্রাকৃতিক এসেনশিয়াল অয়েল অক্ষুণ্ণ: আমরা কম তাপে (Cold Grinding Technology) জিরা গুঁড়া করি, ফলে জিরার ভেতরে থাকা প্রাকৃতিক তেল এবং সুগন্ধ নষ্ট হয় না।
ডাবল-ফিল্টার্ড বিশুদ্ধতা: আধুনিক মেশিনে দুইবার ডাস্টিং ও ক্লিনিং করা হয়, ফলে রান্নায় কোনো বালু বা কিড়কিড়ে অনুভূতির ভয় নেই।
১০০% পিওর গ্রেড-এ জিরা: ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে সরাসরি গ্রেড-এ জিরা সংগ্রহ করি। এই অঞ্চলের মাটি ও জলবায়ু জিরার উৎকর্ষতার জন্য সেরা, যা এর কড়া ঘ্রাণে স্পষ্ট বোঝা যায়।
হজম ও সুস্বাস্থ্য: জিরার প্রাকৃতিক গুণাগুণ হজম প্রক্রিয়া সহজ করে এবং রান্নায় তেলের ব্যবহার কমিয়েও চমৎকার স্বাদ নিশ্চিত করে।
জিরার বিস্ময়কর পুষ্টি উপাদান
১. প্রচুর আয়রন: এক চা-চামচ জিরার গুঁড়াতে দৈনিক চাহিদার প্রায় ১৭.৫% থেকে ২০% আয়রন থাকে। এটি রক্তশূন্যতা দূর করতে এবং শরীরের হিমোগ্লোবিন বাড়াতে অবিশ্বাস্য কার্যকর।
২. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: জিরায় রয়েছে (Apigenin) এবং লুটিওলিন (Luteolin) নামক শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এগুলো শরীরকে ফ্রি-র্যাডিক্যালস থেকে রক্ষা করে এবং কোষের অকাল বার্ধক্য রোধ করে।
৩. থাইমল (Thymol): জিরাতে থাকা এই বিশেষ যৌগটি লালাগ্রন্থিকে সক্রিয় করে এবং পাচক এনজাইম নিঃসরণ বাড়ায়, যা দ্রুত হজমে সাহায্য করে।
৪. ভিটামিন ও মিনারেলস: এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, এবং ই। এছাড়াও ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান রয়েছে যা হাড়ের গঠন ও হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।
জিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা
১. হজম প্রক্রিয়ার ম্যাজিকঃ জিরাতে থাকা এসেনশিয়াল অয়েল এবং থাইমল পেট ফাঁপা, বদহজম এবং অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। এটি ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) এর লক্ষণ উপশমেও কার্যকর।
২. ওজন নিয়ন্ত্রণ ও মেটাবলিজমঃ গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত জিরার গুঁড়া বা জিরার পানি পান করলে শরীরের মেটাবলিজম রেট বাড়ে। এটি শরীরের চর্বি ও অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৩. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জিরা অত্যন্ত উপকারী। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বা সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
৪. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণঃ এটি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৫. স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কঃ জিরা মস্তিষ্কের কোষকে উদ্দীপিত করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এতে থাকা মিনারেলস মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা সচল রাখে।
৬. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়ঃ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। এছারাও বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা রয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুতে ক্লিক করুন। (Read More)
আমাদের উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া
Foodica-তে আমরা বিশ্বাস করি, খাবারের মান নিয়ে কোনো আপোষ নয়।
সোর্সিং: আমরা ভারতের গুজরাটের সেরা বেল্ট থেকে সরাসরি বড় দানার ও গাঢ় ঘ্রাণের জিরা সংগ্রহ করি (যা বিশ্বজুড়ে সেরার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত)।
প্রসেসিং: কড়া রোদে প্রাকৃতিকভাবে শুকানোর পর ধুলোবালি মুক্ত করে সম্পূর্ণ হাইজিনিক ভাবে গুঁড়া করা হয়।
প্যাকেজিং: খাবারের গুণগত মান বজায় রাখতে আমরা ব্যবহার করি হাই-ব্যারিয়ার ফুড-গ্রেড প্যাকেজিং, যা বাইরের আর্দ্রতা বা বাতাস থেকে মশলাকে রক্ষা করে ১ বছর পর্যন্ত সতেজ রাখে।
ব্যবহার বিধি ও খাবারের স্বাদ বাড়ানোর টিপস
দৈনন্দিন রান্না: মাছ, মাংস বা সবজির তরকারি নামানোর কিছুক্ষণ আগে সামান্য পরিমাণ ফুডিকার জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে দিন, এতে সুঘ্রাণ হবে দ্বিগুণ।
ভাজা জিরা ফ্লেভার: যারা ভাজা জিরার ঘ্রাণ পছন্দ করেন, তারা হালকা আঁচে প্যানে টেলে ভেজে নিতে পারেন এতে ভাজা জিরার স্পেশাল সুঘ্রাণ পাবেন।
স্বাস্থ্য পানীয়: সকালে হালকা গরম পানিতে এক চিমটি জিরার গুঁড়া মিশিয়ে খেলে মেদ কমাতে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় দারুণ কাজ দেয়।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
প্যাকেট খোলার পর জিরার গুণগত মান ঠিক রাখতে সব সময় আমাদের এয়ার-টাইট ফুড-গ্রাড জারের মুখ ভালোভাবে বন্ধ করে রাখুন। সরাসরি চুলার পাশে বা রোদে না রেখে কিছুটা ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
জিরার গুঁড়ার উৎপাদন পদ্ধতি
আমরা শুধু পণ্য নয়, স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের প্রতিশ্রুতি দিই। আমাদের উৎপাদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত:
উপাদান: বাছাইকৃত গ্রেড-এ আস্ত জিরা।
উৎপাদন অঞ্চল: ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা (যা জিরার জন্য বিখ্যাত)।
প্রস্তুত পদ্ধতি: জিরাগুলো সংগ্রহের পর ধুলোবালি মুক্ত করা হয় এবং বিশেষ তাপমাত্রায় গুঁড়া করা হয় যেন এর স্বাদ ও গুণাগুণ নষ্ট না হয়।
মান নিয়ন্ত্রণ: প্রতিটি ব্যাচ প্যাকেজিং করার আগে স্বাদ ও ঘ্রাণ পরীক্ষা করে বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা হয়।
প্যাকেজিংঃ এয়ার-টাইট ফুড-গ্রেড জারে প্যাকেজিং করা হয়।
পরিমাণ: ৫০০ গ্রাম।
মূল্য: ৮৫০ টাকা।








Reviews
There are no reviews yet.